লিবিয়ায় আন্দোলনকারীদের ওপর ক্ষমতাসীনদের দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। এক বিবৃতিতে নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে লিবীয় সরকারের প্রতি অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারকে জনগণের বৈধ দাবি-দাওয়ার কথা শুনতে হবে।
বিবিসি অনলাইন বুধবার এ খবর জানায়।
এরআগে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানোর জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান লিবীয় নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি।
গাদ্দাফি বিক্ষোভকারীদের সতর্ক করেন, যারাই লিবিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
পরবর্তী সময়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল ফাতাহ ইউনিস আল আবিদি পদত্যাগ করেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি জনগণের দাবির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানান।
এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পরিষদ দেশটিতে সরকারের ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিল।
১৫ টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত জাতিসংঘের এই পরিষদ বিবৃতিতে বলে, "জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে দায়িত্ব্ তা পূরণ করতে হবে।"
পাশাপাশি সহিষ্ণু আচরণ, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের প্রতি সম্মান দেখানোরও আহ্বান জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।
ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত মার্ক লেআল নিরাপত্তা পরিষদের এই বিবৃতিকে 'সর্বোচ্চ কঠোর' বলে দাবি করলেও জাতিসংঘে নিয়োজিত লিবিয়ার স্থায়ী উপপ্রতিনিধি ইব্রাহিম দাবাসি একে 'যথেষ্ট কঠোর নয়' বলে মন্তব্য করেন। তবে লিবিয়ায় রক্তপাত বন্ধে এটি একটি ইতিবাচক বার্তা বলে মনে করেন তিনি।
আরব লিগও লিবিয়া সরকারের এই দমনাভিযানের নিন্দা জানিয়ে একে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে 'অপরাধ' আখ্যা দিয়েছে।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে দ্বিতীয় দফা ভাষণ দেন গাদ্দাফি। ৭৫ মিনিটের ওই ভাষণে গাদ্দাফি বলেন, "এখনো বিক্ষোভকারীদের ওপর শক্তি প্রয়োগ করা হয়নি, প্রয়োজন হলে তা করা হবে।"
এ সময় তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালানোর জন্য তার সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান।
গাদ্দাফি বলেন, তিনি দেশ ছাড়বেন না, প্রয়োজনে শহীদ হবেন।
গত সপ্তায় লিবিয়ায় রাজনৈতিক সংস্কার ও গাদ্দাফির ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়।
আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দাবি করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারকে জনগণের বৈধ দাবি-দাওয়ার কথা শুনতে হবে।
বিবিসি অনলাইন বুধবার এ খবর জানায়।
এরআগে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানোর জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান লিবীয় নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি।
গাদ্দাফি বিক্ষোভকারীদের সতর্ক করেন, যারাই লিবিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
পরবর্তী সময়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল ফাতাহ ইউনিস আল আবিদি পদত্যাগ করেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি জনগণের দাবির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানান।
এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পরিষদ দেশটিতে সরকারের ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিল।
১৫ টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত জাতিসংঘের এই পরিষদ বিবৃতিতে বলে, "জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে দায়িত্ব্ তা পূরণ করতে হবে।"
পাশাপাশি সহিষ্ণু আচরণ, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের প্রতি সম্মান দেখানোরও আহ্বান জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।
ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত মার্ক লেআল নিরাপত্তা পরিষদের এই বিবৃতিকে 'সর্বোচ্চ কঠোর' বলে দাবি করলেও জাতিসংঘে নিয়োজিত লিবিয়ার স্থায়ী উপপ্রতিনিধি ইব্রাহিম দাবাসি একে 'যথেষ্ট কঠোর নয়' বলে মন্তব্য করেন। তবে লিবিয়ায় রক্তপাত বন্ধে এটি একটি ইতিবাচক বার্তা বলে মনে করেন তিনি।
আরব লিগও লিবিয়া সরকারের এই দমনাভিযানের নিন্দা জানিয়ে একে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে 'অপরাধ' আখ্যা দিয়েছে।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে দ্বিতীয় দফা ভাষণ দেন গাদ্দাফি। ৭৫ মিনিটের ওই ভাষণে গাদ্দাফি বলেন, "এখনো বিক্ষোভকারীদের ওপর শক্তি প্রয়োগ করা হয়নি, প্রয়োজন হলে তা করা হবে।"
এ সময় তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালানোর জন্য তার সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানান।
গাদ্দাফি বলেন, তিনি দেশ ছাড়বেন না, প্রয়োজনে শহীদ হবেন।
গত সপ্তায় লিবিয়ায় রাজনৈতিক সংস্কার ও গাদ্দাফির ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়।
আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দাবি করছে।
No comments:
Post a Comment